মঙ্গলবার , ২৮ এপ্রিল ২০২৬ | ১৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাংলা English
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইটি বিশ্ব
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলাম
  7. ঈদুল ফিতর
  8. ক্রিকেট
  9. খেলা-ধুলা
  10. জাতীয়
  11. দুর্ঘটনা
  12. ফুটবল
  13. বাংলাদেশ
  14. বিনোদন
  15. রাজনীতি

সংসদে সাত বীরশ্রেষ্ঠের নামে গ্যালারি, মূল ফটক এম এ জি ওসমানী

প্রতিবেদক
The Daily World News
এপ্রিল ২৮, ২০২৬ ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ   প্রিন্ট সংস্করণ

প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১২ এএম

জাতীয় সংসদের দর্শক সারির গ্যালারিগুলোর নামকরণ করা হয়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠদের নামে। সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরামর্শে সেই সাত বীর সন্তানকে স্মরণীয় করে রাখতে এমনই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। একইসঙ্গে সংসদে প্রবেশের মূল ফটকের নামকরণ করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীর নামে।

সংসদে প্রবেশের মূল ফটক

সংসদের গ্যালারিতে বসে পুরো কার্যক্রম দেখার সুযোগ পান পাঁচধারী দর্শনার্থীরা। অনুমতি সাপেক্ষে থাকে শিক্ষার্থীদের প্রবেশের সুযোগও। তাই সংসদ ভবনের প্রতিটি গ্যালারি শুধু দর্শকের বসার স্থান নয়, বরং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের সাক্ষীও। এতদিন ফুল ও নদীর নামে ছিল গ্যালারিগুলো।

বীরশ্রেষ্ঠদের স্বজনরা জানান, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ, আমরা এতে খুশি। অতীতের কোনো সরকার এমনভাবে বীরশ্রেষ্ঠদের মূল্যায়ন করেনি।

সংসদ গ্যালারির প্রবেশ ফটক

নতুন নামকরণ অনুযায়ী ভিআইপি গ্যালারি-১ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, ভিআইপি গ্যালারি-২ বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের নামে করা হয়েছে। এই দুইটি গ্যালারি সাংবাদিকদের জন্য সংরক্ষিত। গ্যালারি-৩ বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ, গ্যালারি-৪ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান, গ্যালারি-৫ বীরশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিন রুম আর্টিফিশিয়াল মোহাম্মদ রুহুল আমিন, গ্যালারি-৬ বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এবং গ্যালারি-৭ বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের নামে করা হয়েছে।

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, এটা প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ছিল। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের বীরশ্রেষ্ঠদের সম্মানিত করলে আমাদের কী অসুবিধা? আর জাতীয় সংসদ তাদের কারণে তৈরি, তাদের জন্য এই দেশের স্বাধীনতা। আমরা যে স্বাধীন হয়েছি, যাদের রক্তের ত্যাগের বিনিময়ে, সেই ত্যাগী মানুষগুলোকে আমরা এখানে নিয়ে আসি।’

তিনি আরও বলেন, চেতনা বিক্ষিপ্ত নয়, স্বাধীনতা বাস্তবায়ন করার প্রক্রিয়ার অংশ এটা। এটা সকলের জন্য প্রেরণা। যারা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছে তাদের জন্য প্রেরণা। যারা এই দেশের নাগরিক ছিলেন, যুদ্ধে যেতে পারেননি, তাদের জন্য প্রেরণা। এখানে কেউ চিরদিন থাকবে না, কিন্তু এই নাম থেকে যাবে এবং এই দেশের প্রজন্মের পর প্রজন্ম সবাই স্মরণ করবে যে স্বাধীনতার মূল বীর সন্তান কারা।

সর্বশেষ - সারাদেশ

আপনার জন্য নির্বাচিত

শিল্প-সংস্কৃতির রাজনীতিকরণ কখনোই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়: প্রধানমন্ত্রী

হাসিনাকন্যা পুতুল বাধ্যতামূলক ছুটিতে

আজও রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোয় জ্বালানি তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন

রমজানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রতিরোধে ব্যবস্থার নির্দেশ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও হয়নি সমঝোতা, চুক্তি ছাড়াই ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ভ্যান্সের

আশুলিয়ায় মরদেহ পোড়ানোর মামলা: বিচার শুরুর আদেশ

চন্দ্রাভিযান শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী

গোপালগঞ্জে পুলিশের গাড়িতে হামলা

বাজারে ‘তাচ্ছিল্যের শিকার’ মধ্য ও নিম্নবিত্তরা

সেলুন উদ্বোধনে হেলিকপ্টারে গেলেন জায়েদ খান