প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০২ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে পাকিস্তানের অনুরোধে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। একইসঙ্গে ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রাখবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান সরকার মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে, যা কোনভাবেই অপ্রত্যাশিত ছিল না। পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের অনুরোধে আমাদের কাছে ইরানের ওপর হামলা স্থগিত রাখার আবেদন জানানো হয়েছে। তাই আমি আমাদের সামরিক বাহিনীকে অবরোধ অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছি এবং অন্যান্য সব দিক থেকে প্রস্তুত ও সক্ষম থাকতে বলেছি। প্রস্তাব জমা দেওয়া এবং আলোচনা কোনো একটি সিদ্ধান্তে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করছি।’
এর আগে, সোমবার ট্রাম্প বলেছিলেন, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। তবে শুক্রবার তিনি জানিয়েছিলেন, সপ্তাহান্তের মধ্যেই একটি চুক্তি হতে পারে এবং ইরান একটি ভালো প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে।
মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই ট্রাম্প বলেছিলেন, কোনো চুক্তি না হলে আবারও হামলা শুরু হতে পারে। সে ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
গত দুই সপ্তাহে সামরিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়েছে। বিষয়টি যেমন ট্রাম্প জানেন, তেমনি ইরানও তা সম্পর্কে অবগত।
তবে এই সিদ্ধান্ত নতুন করে আলোচনার পথ খুলে দিয়েছে। ট্রাম্প বলেছেন, তারা এখন একটি সমন্বিত প্রস্তাবের অপেক্ষায় আছেন।
এটিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কারণ আগে ওয়াশিংটন চেয়েছিল, ইরান তাদের দেওয়া সব শর্ত মেনে নেবে। এর মধ্যে ছিল—পারমাণবিক অস্ত্র না রাখা, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ফেরত দেওয়া এবং হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা। এমনকি এক সময় ট্রাম্প ওই প্রণালির যৌথ নিয়ন্ত্রণের ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন।


















