Monday , 20 July 2026 |
বাংলা English
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইটি বিশ্ব
  4. আইন-বিচার
  5. আন্তর্জাতিক
  6. ইসলাম
  7. ঈদুল ফিতর
  8. ক্রিকেট
  9. খেলা-ধুলা
  10. জাতীয়
  11. দুর্ঘটনা
  12. ফুটবল
  13. বাংলাদেশ
  14. বিনোদন
  15. রাজনীতি

মোজাফফর হোসেনকে সেনা আইনে বিচার করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা, ২০ জুলাই ২০২৬: প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে সেনা আইনে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সোমবার পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, একই মামলায় আগে যেসব অভিযুক্তের বিচার সামরিক আদালতে হয়েছে, সেই রায় ও পর্যবেক্ষণ বিবেচনায় নিয়ে মোজাফফর হোসেনের বিচার প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে। একই ঘটনায় সিভিল আইনে নতুন করে মামলা করা আইনগতভাবে সম্ভব কি না, সেটিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবে।
এর আগে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রোববার সামরিক হেলিকপ্টারে করে মোজাফফর হোসেনকে ঢাকায় আনা হয়। গত ১৫ জুলাই রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পর প্রায় ৪৫ বছর আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। দীর্ঘ সময় ভারতে অবস্থান করার পাশাপাশি বিভিন্ন সময় ছদ্মনাম ব্যবহার করে সীমান্ত অতিক্রম করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে প্রথম শনাক্ত করে গুলি চালানোর অভিযোগ রয়েছে মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সামরিক ট্রাইব্যুনালে ১৮ জন কর্মকর্তার বিচার হয়। তাদের মধ্যে ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় এবং পাঁচজন বিভিন্ন মেয়াদের সাজা পান। তবে মোজাফফর হোসেন ও মেজর খালেদ দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন।
এদিকে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। বিজিবি ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় সীমান্তে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিদেশে অবস্থানরত কোনো বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফেরাতে হলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের পরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই সংস্করণটি মূল তথ্য অক্ষুণ্ণ রেখে নতুন ভাষায় লেখা হয়েছে, ফলে সরাসরি কপি করার তুলনায় কপিরাইটের ঝুঁকি কম থাকে। তবে তথ্যের যথার্থতা নিশ্চিত করা এবং মূল উৎসের তথ্য যাচাই করা আপনার দায়িত্ব।

সর্বশেষ - সারাদেশ