
গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মাদরাসাছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এবং এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের বিষয়টি আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।
রোববার (২৫ অক্টোবর) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, কোনো ঘটনার বিচার আবেগের বশবর্তী হয়ে নয়, বরং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হওয়া প্রয়োজন। কেউ যেন নিজের হাতে আইন তুলে না নেন, সে বিষয়েও সতর্ক করেন তিনি। একই সঙ্গে শিক্ষকদের এমন আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান, যা তাঁদের পেশাগত মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
অভিযুক্ত শিক্ষকের জামিন আবেদন খারিজ
টঙ্গীতে এক মাদরাসাছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেফতার শিক্ষক মোসলেম আহম্মদের জামিন আবেদন নাকচ করেছেন আদালত। রোববার দুপুরে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওমর হায়দারের আদালতে শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করে। ওই দিনই আদালতে শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের সমর্থনে তথ্য পাওয়া গেছে।
একই ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৯ অক্টোবর টঙ্গীর আউচপাড়ায় ক্বরিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার প্রথম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে। শিশুটির পরিবার এ অভিযোগে মামলা দায়ের করে। পরে অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের ঘটনাও ঘটে।
শিশুটির পরিবারের করা মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা হয়েছে। অন্যদিকে, শিক্ষককে মারধর, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ তুলে পাল্টা মামলা করেছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।
ঘটনাটি ঘিরে সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করার বিষয়টি এখন গুরুত্বপূর্ণ।
