প্রকাশ: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৪৫ পিএম
লামিয়া তিথি
এনসিপিকে দশের বেশি আসন ছাড় দিচ্ছে না জামায়াত!
জামায়াতের সাথে জোটবদ্ধ হওয়ার সময় প্রাথমিকভাবে ত্রিশটি আসনের ব্যাপারে সমঝোতা হয়েছিল এনসিপির। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে তা নেমে আসতে পারে দশের নিচে। এতে বাদ পড়তে পারেন এনসিপির বেশ কয়েকজন আলোচিত নেতা। যা নিয়ে ফের উত্তাল হতে পারে দলটির অন্দরমহলে।
যদিও নির্বাচনী কৌশলের কারণে এখনই এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কথা বলতে রাজি হয়নি জামায়াত বা এনসিপির কেউই। জামায়াত চায়, জনভিত্তি ও জনপ্রিয়তা আছে এমন প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকায় রাখতে।
এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার বলেন, তাদের সাথে চূড়ান্ত আসন সমঝোতার ব্যাপারে কথাবার্তা হচ্ছে। কিছু কিছু আসনে ইতোমধ্যে জামায়াতের প্রার্থীরা অনানুষ্ঠানিকভাবে আমাদের প্রার্থীদেরকে ছাড় দিয়েছেন এবং আমাদের প্রার্থীদের সাথে তাদের এক ধরনের সমন্বিত কাজ হচ্ছে ওই সকল আসনে। যেহেতু অনানুষ্ঠানিক সমঝোতা কিছু দিনের মধ্যে হয়ে যাবে, তখন আমার ধারণা জোটের সকল শরিক একসাথে এক মার্কার জন্য প্রচারণা চালাবে। তখন এই বিভ্রান্তি বা এই প্রশ্ন কেটে যাবে।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন বলেছেন, সংগঠন যে সিদ্ধান্ত নেয়, সেই সিদ্ধান্তের ওপর আমরা কিন্তু অটল থাকি। যেদিন আমাকে আমার সংগঠন বললো, এই আসনটা আমরা জোটকে ছেড়ে দেবো, আমি নির্দ্বিধায় এটা মেনে নিয়েছি। আমরা যাকে প্রার্থী করেছি, তার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে আমি গিয়েছি এবং উনাকে আমি সহযোগিতা করবো।


















